বড়গল্প- লোভ।
লোভ গভীর জঙ্গল। খরস্রোতা নদীর জল ছুঁয়ে অকারণ নুয়ে পড়েছে সারি সারি গাছের ঝাড়। কলকল শব্দে বয়ে চলেছে নদী আধো অন্ধকার ছিঁড়েখুঁড়ে। পাখির কলতানে মুখর প্রকৃতি, নদীর চলার কম্পন বুকে ধারণ করে বাউলের মতো উদাসীন। এই প্রথম জঙ্গলের বাসিন্দারা সভা ডেকেছে। নেতৃত্বে দিচ্ছে শিম্পাঞ্জির হনুমানের দল। পারিষদদের মধ্যে বাঁদরের ব্যস্ততা চোখে পড়ার মতো। যতদূর চোখ যায় বৃষ্টি পায়ে পায়ে বেড়ে ওঠা মহীরুহর জোট আকাশের অধিকাংশ দখল করে রেখেছে। পরাশ্রয়ী লতাগুল্ম বেঁচে থাকার তাগিদে বৃক্ষরাজির গায়ে লেপটে আছে। জঙ্গল কোন কারনে তটস্থ মেরে গেছে। কী এমন ঘটলো? যুগ যুগ আশ্রয়দান করে যাদের জীবন প্রবাহ বয়ে নিয়ে চলেছে,খাদ্য-স্বাস্থ্য বাসস্থানের সংকটমোচন করে যাদের বুকে ধরে রেখেছে সেই শিম্পাঞ্জি বাঁদর হনুমান কে সন্দেহের চোখে দেখছে গোটা পাদপ সমাজ! না, সেরকম কিছু ঘটেনি এখনো। কিন্তু, নদীর বাঁকের মুখে গাছপালা আগাছা সরিয়ে তৈরী আজকের সভা মন্ডপকে সন্দেহ চোখে দেখছে ডালপালা ছড়িয়ে থাকা গোষ্ঠী সচেতন মহাপতি সমাজ। সৃষ্টিলগ্ন থেকে দেখা যেত বনমুগ্ধকর খেচরের দল জোট বেঁধেছে মৃগ শাবকদের সঙ্গে। কপিকুল,শ্বাপদের গ্রাস থেকে আজীবন...